রাত ১২:১১, মঙ্গলবার, ৬ই ভাদ্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ২০শে আগস্ট, ২০১৮ ইং, ৯ই জিলহজ্জ, ১৪৩৯ হিজরী
Search

চীনা কনসোর্টিয়ামেরর সাথে ডিএসই’র চুক্তি

32

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সঙ্গে কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে চীনের দুই শেয়ারবাজার শেনঝেন ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের কনসোর্টিয়ামের চুক্তি স্বাক্ষরিত সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ চুক্তি স্বাক্ষর কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম খায়রুল হোসেন। এছাড়া ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদসহ চীনের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের (শেনঝেন ও সাংহাই) কনসোর্টিয়ামের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিএসইর পক্ষ থেকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কে এ এম মাজেদুর রহমান চীনা কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত করে।

এর আগে ৩০ এপ্রিল কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে চীনের দুই শেয়ারবাজার শেনজেন ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জের কনসোর্টিয়ামের প্রস্তাবকে অনুমোদন দিয়েছেন ডিএসইর শেয়ারহোল্ডাররা। ওইদিন রাজধানীর পূর্বাণী হোটেলে দুপুর আড়াইটায় অনুষ্ঠিত বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) শেয়ারহোল্ডাররা এ অনুমোদন দিয়েছিলেন। একইদিন বিকেলে অনুমোদনের জন্য বিএসইসিতে প্রস্তাব জমা দেয় ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ। আর ৩ মে চীনা কনসোর্টিয়ামকে কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বিএসইসি।

এদিক, চীনের কনসোর্টিয়াম ডিএসইর প্রতিটি শেয়ারের দাম দিতে চেয়েছে ২২ টাকা। তবে শর্তানুযায়ী, ডিএসইর শেয়ারহোল্ডাররা এরইমধ্যে শেয়ারপ্রতি ১ টাকা লভ্যাংশ নেয়ায়, সমপরিমাণ দর কমে এসেছে। এক্ষেত্রে ডিএসইর ১৮০ কোটি শেয়ারের ২৫ শতাংশ বা ৪৫ কোটি শেয়ার প্রতিটি ২১ টাকা দামে ৯৪৫ কোটি টাকায় কিনবে। পাশাপাশি ডিএসইর কারিগরি ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে ৩০০ কোটিরও বেশি টাকা (৩৭ মিলিয়ন ডলার) ব্যয় করবে। যাতে কৌশলগত বিনিয়োগকারী হতে এক হাজার ২৪৫ কোটিরও বেশি টাকা পাবে ডিএসই।

এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি চীনের কনসোর্টিয়ামকে কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে অনুমোদনের জন্য ডিএসইর সেক্রেটারি মো. আসাদুর রহমান বিএসইসিতে প্রস্তাব জমা দিয়েছিল। তবে ১৯ মার্চ ডিএসইর দেয়া চীনা কনসোর্টিয়ামকে কৌশলগত বিনিয়োগকারী করার প্রস্তাব অনুমোদন না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি। তবে কিছু শর্তসাপেক্ষে ডিএসই কর্তৃপক্ষকে নতুন করে সংশোধিত প্রস্তাব করার সুযোগ দেয়। এরই আলোকে ৩০ এপ্রিল ইজিএম আয়োজন করেছিল ডিএসই কর্তৃপক্ষ।

বিএসইসির ওই শর্তগুলোর মধ্যে ছিল- কৌশলগত বিনিয়োগকারীর সঙ্গে এমন কোনো চুক্তি করা যাবে না, যা দেশের আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং ডিএসইর সাধারণ শেয়ারহোল্ডার এবং শেয়ারবাজারের উন্নয়নের পরিপন্থি। আর ডিএসইর আর্টিকেলের পরিপন্থি কোনো সংশোধনী গ্রহণযোগ্য হবে না।

এছাড়া বিএসইসিতে প্রস্তাবের আগে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন, বিএসইসির পর্যালোচনা কমিটির পর্যবেক্ষণ ও প্রত্যাহর করা শর্তগুলো জানাতে হবে এবং সাধারণ সভায় গৃহিত প্রস্তাব, সংশোধিত চুক্তি ও অন্যান্য ডকুমেন্টস কমিশনে দাখিল করার শর্ত দেয়া হয়েছে।
শেয়ারনিউজ/



sky television /স্কাই টিভি


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *