সন্ধ্যা ৬:০২, রবিবার, ৩১শে ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং, ১৬ই মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী
BREAKING NEWS
Search

জাতীয় শোক দিবস ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে আলোচনা সভা

48
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস এবং ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার বিচারের রায় কার্যকরের দাবীতে জেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে আলোচনা সভা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। বুধবার দুপুরে জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা হয়। জেলা আ.লীগ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওদুদ। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাড. মো. নজরুল ইসলাম, পৌর আ.লীগের সভাপতি অধ্যাপক মো. শরিফুল আলম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মিজানুর রহমান, জেলা মহিলালীগের সভাপতি মোসা. শাকিনা খাতুন পারুল, জেলা যুবলীগ-ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হুদা অলক, যুবলীগ নেতা মেসবাহুল সাকের জ্যোতি, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি অ্যাড. আব্দুস সামাদ বকুল, সাবেক ছাত্রনেতা ফাইজার রহমান কনক, জেলা আ.লীগের দুর্যোগ ও ত্রাণবিষয়ক সম্পাদক আবু সুফিয়ানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সভায় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা মো. সোহরাব আলী, জেলা মহিলা সাধারণ সম্পাদক মোসা. হালিমা খাতুন, জেলা যুব মহিলালীগের সভাপতি অ্যাড. ইয়াসমিন সুলতানা রুমা, সাধারণ সম্পাদক শান্তনা হক শান্তা, সাবেক ছাত্রনেতা জিয়াউর রহমান আরমান, জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মোসফিকুর রহমান টিটো, শ্রমিক লীগের আহব্বায়ক শহিদুল ইসলাম রানা, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান তোতাসহ আ.লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন সমূহের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী। মধ্যাহ্ন ভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওদুদ বলেন, ২০০৪ সালে আওয়ামীলীগ যখন বিরোধী দলে ছিল, তখন বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে দলীয় কার্যালযয়ের সামনে প্রায়ই সমাবেশ করতো আওয়ামীলীগ। তবে সব সমাবেশ দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা উপস্থিত থাকতেন না। ২১শে অগাস্ট-এর সমাবেশে শেখ হাসিনা উপস্থিত থাকবেন এ কথা আগে থেকেই সবাই জানতেন। দলের নেত্রী থাকবেন বলেই দলের অধিকাংশ সিনিয়র নেতারাও সমাবেশ উপস্থিত হয়েছিলেন সেদিন। একই সাথে দলের কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতিও ছিল অন্যদিনের তুলনায় অনেক বেশি। তাই এদিনই আ.লীগকে ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে হত্যা করার উদ্দেশ্যেই সেদিন এই ভয়াবহ হামলার ছক আঁকে তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত সরকার। তবে আল্লাহর অশেষ রহমতে সেদিন প্রানে বেঁচে যায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু ভয়াবহ এই হামলায় প্রাণ দিয়ে হয় আ.লীগের ২৪ নেতাকর্মীকে।
সভায় ১৫ আগষ্ট ও ২১ আগষ্টে গ্রেনেড হামলায় দায়ীদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করার জোর দাবি জানান বক্তারা। এসময় জেলা, উপজেলা, পৌর আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন অংগ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


sky television /স্কাই টিভি