সোনারগাঁওয়ের হোসাইন ছিলো জি কে শামিমের ঘনিষ্ঠ সহচর

0
573
রাজধানীর নিকেতন থেকে যুবলীগের সমবায় বিষয়ক সম্পাদক জি কে শামিমের বাসা থেকে শামিমের অফিস থেকে বিপুল নগদ অর্থ, চেক, এডিআর, অস্ত্র, মদ উদ্ধার করা হয়েছে।
জানা গেছে, নগদ ১০ কোটি টাকা ও ১শ কোটি টাকার চেক, এফডিআর জব্দ করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এসময় অবৈধ অস্ত্র, প্রচুর গুলি, ম্যাগজিন ও মদ পাওয়া যায়। শুধু তা নয় প্রচুর পরিমাণ বিদেশি মুদ্রাও পাওয়া যায়। তবে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনেই এর প্রকৃত পরিমাণ জানা যাবে।
শুক্রবার সকালে নিকেতনের কার্যালয় ঘিরে রেখে অভিযান চালানো হচ্ছে। র‌্যাব সদর দপ্তরের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলম এর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালনা করা হচ্ছে।
এর আগে অস্ত্রসহ যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা জি কে শামীমের সাত বডিগার্ডকে নিজেদের হেফাজতে নেয় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এসময় তাদের কাছ থেকে অবৈধ অস্ত্র পাওয়া যায়।
পরে দুপুরের দিকে জি কে শামিমকে আটক করা হয়।
রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় জি কে শামীম প্রভাবশালী ঠিকাদার হিসেবেই পরিচিত। গণপূর্ত ভবনের বেশির ভাগ ঠিকাদারি কাজই জি কে শামীম নিয়ন্ত্রণ করেন। বিএনপি-জামায়াত শাসনামলেও গণপূর্তে এই শামীমই ছিলেন ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তি এবং কেন্দ্রীয় ছাএলীগের নেতা উপ গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ হোসাইনের ঘনিষ্ঠ সহচর সে সুবাদে সোনারগাঁওয়ে বিভিন্ন স্থান চলতো হোসাইনের একান্ত প্রভাব
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকাকালে শামীম ছিলেন ঢাকা মহানগর যুবদলের সহসম্পাদক এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক গণপূর্ত মন্ত্রী মির্জা আব্বাসের খুবই ঘনিষ্ঠ।
সেই জি কে শামীম এখন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক।
তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁওয়ে সনমান্দী এলাকায়