রাত ১১:২১, মঙ্গলবার, ৪ঠা পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ১৮ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং, ১১ই রবিউস-সানি, ১৪৪০ হিজরী

হাঁস না মুরগি, কোনটা বেশি পুষ্টিকর?

82

ডিম একটি প্রোটিন জাতীয় খাবার এটা আমরা কম-বেশি সবাই জানি। কিন্তু হাঁসের ডিম না মুরগির ডিম কোনটি পুষ্টিতে ভাল বা এগিয়ে আছে এ নিয়ে আমাদের মনে সব সময়ই একটা শঙ্কা কাজ করে। আসলে কোনটা খেলে বেশি উপকার পাওয়া যাবে এরই প্রেক্ষিতেই এরকম শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আসুন জেনে নেই কোনটি এগিয়ে আছে…

আকার: মুরগির ডিমের তুলনায় হাঁসের ডিম আকারে বড় হয়। এ ছাড়াও হাঁসের ডিমের খোলস মুরগির ডিমের তুলনায় বেশি শক্ত হয়। যে কারণে হাঁসের ডিম ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত খাওয়া যেতে পারে তবে টাটকা ডিম খাওয়াই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

আকারে বড় হওয়ার কারণে হাঁসের ডিমের কুসুমও বড় হয়। তাই যদি বেশি কুসুম খেতে চান বা আপনার শরীরে বেশি প্রোটিনের প্রয়োজন হয় তাহলে হাঁসের ডিম খান।

পুষ্টিগুণ: ১০০ গ্রাম হাঁসের ডিম থেকে ১৮৫ কিলো ক্যালরি এর্নাজি পাওয়া যায়। যেখানে ১০০ গ্রাম মুরগির ডিম থেকে পাওয়া যায় ১৪৯ কিলো ক্যালরি এর্নাজি । র্কাবোহাইড্রেট ও মিনারেলের পরমিাণ সমান হলেও হাঁসের ডিমে প্রোটিনের পরিমাণ সামান্য বেশি থাকে। উভয়ের ডিমেই সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, দস্তা, তামা, পটাশয়িাম, সোডিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসয়িাম, আয়রন থাকে তবে হাঁসের ডিমে সব কিছুরই পরমিাণ কিছুটা বেশি থাকে ।
হাঁস, মুরগি উভইয়ের ডিমেই থায়ামিন, নিয়াসিন, রাইবোফ্লাভিন, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, ফলিয়েট, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি১২ ও রেটিনল থাকলেও হাঁসের ডিমে সব ভিটামিনের পরিমাণ বেশি থাকে ।

ফ্যাট : ১০০ গ্রাম হাঁসের ডিমে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ ৩.৬৮ গ্রাম, ১০০ গ্রাম মুরগির ডিমে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ ৩.১ গ্রাম। হাঁসের ডিমে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ মুরগির ডিমের থেকে ৫০ শতাংশ বেশি । অ্যামাইনো অ্যাসিডের পরমিাণও হাঁসের ডিমে বেশি হলেও থ্রিওনিন, আইসোলিউওসিন, ট্রিপটোফ্যান, লিউসিন, মিথিওনিন, লাইসিন, সিস্টিন, টাইরোসিন, ফিনাইল এলানিন, ভ্যালিন, সেরিন, গ্লাইসিন, প্রোলিন, অ্যাসপারটিক অ্যাসিড, হিস্টিডিন, অ্যালানিন ও আর্জিনিন সব ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিডই মজুত থাকে মুরগির ডিমে ।  স্কাই টিভি ডেস্ক



sky television /স্কাই টিভি


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *